EAC365 শুধু একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় – এটা বাংলাদেশের লক্ষো ক্রিকেটপ্রেমী ও বেটারের বিশ্বাসের জায়গা। আমরা কে, কীভাবে শুরু হয়েছিলাম, কোন লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি – সব এখানে।
EAC365-এর লক্ষ্য একটাই – বাংলাদেশের প্রতিটি বেটারকে একটি নিরাপদ, সহজ ও আনন্দদায়ক বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় হোক বা সুন্দরবনের কোনো প্রান্তে – মোবাইল থাকলেই EAC365 আছে।
আমরা চাই EAC365 শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বস্ততার প্রতীক হয়ে উঠুক। যেখানে ব্যবহারকারী জানেন – তার টাকা নিরাপদ, তার প্রশ্নের উত্তর পাবেন এবং অভিজ্ঞতাটা সত্যিকারের ন্যায্য।
EAC365 প্রতিটি অফারের শর্ত স্পষ্টভাবে জানায়, প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত রাখে এবং দায়িত্বশীল বেটিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। প্রতিশ্রুতির কথাই শুধু বলি না – বাস্তবে করে দেখাই।
আমাদের গল্প
বছর কয়েক আগে, কয়েকজন বাংলাদেশি প্রযুক্তিপ্রেমী একটা সমস্যা চোখের সামনে দেখছিলেন। বাংলাদেশে ক্রিকেটের প্রতি মানুষের আবেগ যতটা গভীর, অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো ততটাই বিদেশমুখী। ইংরেজিতে লেখা শর্ত, ডলারে লেনদেন, বিদেশি পেমেন্ট সিস্টেম – সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য পুরো অভিজ্ঞতাটা ছিল অপরিচিত আর অনিশ্চিত।
সেখান থেকেই EAC365-এর ধারণার জন্ম। একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরির স্বপ্ন যেটা হবে বাংলায়, বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে।
"আমরা চেয়েছিলাম ঢাকার এক রিকশাচালকও যেন তার ফোনে সহজে বেট করতে পারেন, বিকাশে টাকা রাখতে পারেন এবং জিতলে মিনিটের মধ্যে টাকা ফেরত পান।"
— EAC365 প্রতিষ্ঠাতা দলের সদস্যমাইলফলক
একটা ছোট দল নিয়ে বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক বেটিং প্ল্যাটফর্মের কাজ শুরু হয়। প্রথম ফোকাস ছিল বিকাশ ও নগদের সাথে নির্ভরযোগ্য ইন্টিগ্রেশন তৈরি করা।
লঞ্চের প্রথম ৬ মাসেই EAC365 ১০,০০০ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলে। বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট চালু হয়।
স্পোর্টস বেটিংয়ের বাইরে লটারি ও ভাউচার সিস্টেম চালু হয়। ব্যবহারকারীরা এখন আরও বেশি উপায়ে পুরস্কার জিততে পারেন।
চার স্তরের লয়্যালটি ক্লাব ও মাসিক টুর্নামেন্ট চালু হয়। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
রকেট পেমেন্ট যোগ হয় এবং মোবাইল পেজের গতি ও ইন্টারফেস ব্যাপকভাবে উন্নত করা হয়। দুর্বল নেটেও স্বাভাবিক কাজ করার সুবিধা যোগ হয়।
EAC365 বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্য নিয়ে কাজ করছে। প্রতিদিন নতুন সদস্যরা যোগ দিচ্ছেন এবং প্ল্যাটফর্ম ক্রমশ বড় হচ্ছে।
আমরা যা দিই
প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আছে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের বাস্তব প্রয়োজনের কথা।
EAC365-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় – মেনু থেকে শর্তাবলী, সাপোর্ট থেকে পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ বার্তা পর্যন্ত। বিদেশি ভাষার বাধা নেই।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে ডিপোজিট ৩–৫ মিনিটে ওয়ালেটে আসে। উইথড্রয়ালও তেমনই দ্রুত – ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা নেই।
বাংলাদেশ দলের প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে শতাধিক বেটিং মার্কেট। বিপিএল থেকে বিশ্বকাপ – সব টুর্নামেন্ট কভার করা হয়।
রাত তিনটায়ও লাইভ চ্যাটে বাংলায় আসল মানুষ সাড়া দেন। গড়ে ৩ মিনিটে সমাধান। বট নয়, মানবিক সাপোর্ট।
সব লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার হয় না। নিরাপত্তা আমাদের কাছে আপোষহীন।
বেটিং সীমা নির্ধারণ, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা উন্মুক্ত। আমরা চাই বেটিং আনন্দের অভিজ্ঞতা হোক, চাপের নয়।
আমাদের মূল্যবোধ
প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি আপডেটে এই মূল্যবোধগুলো আমাদের পথ দেখায়।
এই পরিসংখ্যানগুলো সর্বশেষ ১২ মাসের অভ্যন্তরীণ ডেটার ভিত্তিতে তৈরি।
প্রতিটি অফারের শর্ত বাংলায় স্পষ্টভাবে লেখা। লুকানো চার্জ বা বিভ্রান্তিকর শর্ত EAC365-এ নেই।
সব সদস্য সমান সুযোগ পান। ছোট বেটর বা বড় বেটর – সবার জন্য একই নিয়ম।
EAC365 একটি সম্প্রদায় – যেখানে সদস্যরা একে অপরকে রেফার করেন, টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সদস্যদের মতামত শুনে প্রতিনিয়ত পরিষেবা উন্নত করা হয়। আজকের EAC365 গতকালের চেয়ে ভালো।
আমরা বিশ্বাস করি বেটিং মনোরঞ্জনের জন্য – আসক্তির জন্য নয়। দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার।
পাঁচ বছরে একটি পেমেন্ট না দেওয়ার নজির নেই। EAC365 কথা দিলে কথা রাখে।
আমাদের দল
প্রযুক্তি, সাপোর্ট, অপারেশন ও পেমেন্ট – চারটি বিভাগে অভিজ্ঞ দল সারাক্ষণ কাজ করে যাচ্ছে।
১০+ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। EAC365-এর পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন ও নিরাপত্তা অবকাঠামোর মূল স্থপতি।
২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট দলের নেতৃত্ব দেন। সদস্যদের সমস্যা দ্রুততম সময়ে সমাধান করাই তার প্রধান লক্ষ্য।
বিকাশ, নগদ ও রকেটের সাথে EAC365-এর নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করেন। পেমেন্টের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা তার দায়িত্ব।
EAC365-এর সব অফার ও প্রমোশন পরিকল্পনার পেছনে আছেন তিনি। বাংলাদেশি সদস্যদের চাহিদা বোঝেন গভীরভাবে।
বাংলাদেশের পছন্দ
EAC365 শুরু থেকেই বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝে এগিয়েছে। এখানে ৭৫% মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, বেশিরভাগ লেনদেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে হয়, আর মানুষ চান সহজ বাংলায় পরিষেবা।
EAC365 এই তিনটি বাস্তবতাকে মাথায় রেখে তৈরি। ফলে প্রতিটি সদস্যের কাছে মনে হয় – এই প্ল্যাটফর্মটা আমার জন্যই।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর – সব বিভাগ এবং ৬৪ জেলায় EAC365-এর সক্রিয় সদস্য আছেন।
বিস্তারিত
অনলাইন বেটিং বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়, কিন্তু EAC365 আসার আগে এই বাজারে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকারের উপযুক্ত কোনো প্ল্যাটফর্ম ছিল না বললেই চলে। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সাইটে বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই, পেমেন্টের জন্য বিদেশি কার্ড দরকার, আর কোনো সমস্যা হলে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হয়। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বড় বাধা।
EAC365 এই বাস্তবতাটাই পাল্টে দিতে চেয়েছিল। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই মূল ফোকাস ছিল তিনটা বিষয়ে – ভাষা, পেমেন্ট এবং সাপোর্ট। বাংলায় পুরো প্ল্যাটফর্ম করা, বিকাশ ও নগদে সরাসরি লেনদেনের ব্যবস্থা করা এবং বাংলায় মানবিক সাপোর্ট নিশ্চিত করা। এই তিনটা কাজ সঠিকভাবে করতে পারলে বাকি সব এমনিতেই হয়ে যাবে – এই বিশ্বাসটাই EAC365-কে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
আজ EAC365-এ ৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্য আছেন। প্রতিদিন হাজারো বেটিং ট্রানজেকশন হয় এবং প্রতিটি পেমেন্ট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। এই সংখ্যাগুলো শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যের চিহ্ন নয় – এটা বিশ্বাসের প্রমাণ।
EAC365-এর সাপোর্ট টিম নিয়ে আলাদাভাবে বলতে হয়। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মে সাপোর্ট মানে ইমেইলে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা বা অটোমেটেড বট উত্তর। EAC365-এ ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাত দিন লাইভ চ্যাটে আসল মানুষ সাড়া দেন – বাংলায়। সদস্যরা বারবার এই বিষয়টার কথা উল্লেখ করেন কারণ এটা তাদের কাছে সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে।
বোনাস ও প্রমোশন সিস্টেমটাও EAC365-এর একটা শক্তিশালী দিক। কিন্তু এখানে যেটা আলাদা সেটা হলো শর্তের সহজতা। অনেক প্ল্যাটফর্মে বোনাস দেওয়া হয় কিন্তু শর্ত এত কঠিন থাকে যে বোনাস কাজে লাগানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। EAC365-এ ওয়েজারিং শর্ত সাধারণত ১x থেকে ৫x, যা বাজারে অনেক কম। এই সততাটা ব্যবহারকারীরা ভালো বুঝতে পারেন।
দায়িত্বশীল বেটিংয়ের বিষয়টা EAC365 শুধু কথায় বলে না। প্রতিটি সদস্য তার অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের বেটিং সীমা নির্ধারণ করতে পারেন, সাময়িক বিরতি নিতে পারেন এবং প্রয়োজনে সেলফ-এক্সক্লুশনও করতে পারেন। এই সুবিধাগুলো সবার জন্য সহজে পাওয়া যায় এবং কোনো বাধা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। EAC365 বিশ্বাস করে, দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে ব্যবহারকারীর মঙ্গলই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
ভবিষ্যতের দিকে তাকালে EAC365-এর পরিকল্পনা আরও বড়। নতুন খেলাধুলার বাজার যোগ করা, ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ তৈরি এবং আরও বেশি পেমেন্ট পদ্ধতি সংযুক্ত করার কাজ চলছে। কিন্তু যতই বড় হোক না কেন, মূল প্রতিশ্রুতি একটাই থাকবে – বাংলাদেশের সদস্যের জন্য সহজ, নিরাপদ ও বিশ্বস্ত অভিজ্ঞতা।
প্রশ্নোত্তর
EAC365-এ আসার পর সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো আসে।
এখনই শুরু করুন
৫ লাখ+ সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে আপনাকে স্বাগত। নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস নিন এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বেটিং-বান্ধব অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।
১৮+ বছরের জন্য প্রযোজ্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন। দায়িত্বশীল খেলা নীতি